✍ পছন্দের চাকরি বা পরীক্ষার নোটিশ খুঁজুন ⇩

একটি বাড়ি একটি খামার এর নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি ( PDF সহ )

একটি বাড়ি একটি খামার এর নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি ( PDF সহ ) 



 ডাউনলোড Full PDF (একটি বাড়ি একটি খামার এর নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি)

http://www.ebek-rdcd.gov.bd/images/stories/recruitment_adv_ebek_2017.jpg

আরো কিছু ......

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ

Yearbook of Agricultural Statistics of Bangladesh 2016

 
কৃষি মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক প্রতিবেদন ২০১৬-২০১৭ 

প্রধান প্রধান ফসলের আবাদ ও উৎপাদন পরিস্থিতি (২০১১/১২-২০১৬/১৭)
pdf pdf






উন্নয়ন বরাদ্দ ও ব্যয় :
কৃষি মন্ত্রণালয় এবং এর অধীন দপ্তর/সংস্থা কর্তৃক ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৬৩টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে, এর মধ্যে বিনিয়োগ প্রকল্প ৬১টি এবং কারিগরি সহায়তা প্রকল্প ২টি। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে উন্নয়ন বরাদ্দ ছিল ১৭৭১.৮৪ কোটি টাকা। উক্ত টাকার মধ্যে ৬৩টি প্রকল্পের জন্য অর্থ ছাড় করা হয়েছিল ১৭৬৫.৪৫ কোটি টাকা; যা বরাদ্দের ৯৯.৬৪% এবং ব্যয় হয়েছে ১৭৫৫.৩৪ কোটি টাকা যা বরাদ্দের ৯৯.০৭% এবং ছাড়ের বিপরীতে ব্যয় ৯৯.৪২%২০১৬-১৭ অর্থ বছরের আরএডিপিভুক্ত প্রকল্পের অনুকূলে বরাদ্দ, অবমুক্তি ও ব্যয় নিম্নরূপ (কোটি টাকায়)-

 
২০১৬-১৭ অর্থবছরে আরএডিপি বাস্তবায়ন অগ্রগতি
গত অর্থ বছরের (২০১৫-১৬) আরএডিপি বাস্তবায়ন
বরাদ্দ
অবমুক্তি
(বরাদ্দের %)
ব্যয়
(বরাদ্দের %)
বরাদ্দ

অবমুক্তি
(বরাদ্দের %)
ব্যয়
(বরাদ্দের %)
(ক) মোট
১৭৭১.৮৪

১৭৬৫.৪৫
(৯৯.৬৪%)
১৭৫৫.৩৪
(৯৯.০৭%)
১৮১১.৪২

১৮০৩.৭১
(৯৯.৫৭%)
১৮০০.৫৩
(৯৯.%)
(খ) জিওবি
১৫৮৯.১৮
(৯০%)
১৫৮৮.১০
(৯৯.৯৩%)
১৫৭৮.৭৬
(৯৯.৩৪%)
১৫৩৬.০২
(৮৫%)
১৫৩১.৭৮
(৯৯.৭২%)
১৫২৪.৭১
(৯৯.২৬%)
(গ) প্রকল্প সাহায্য
১৮২.৬৬
(১০%)
১৭৭.৩৫
(৯৭.১০%)
১৭৬.৫৮
(৯৯.৬৭%)
২৭৫.৪০
(১৫%)
২৭১.৯৩
(৯৮.৭৪%)
২৭৫.৮২
(১০০.১৫%)

২০১৬-১৭ অর্থবছরের আরএডিপি বরাদ্দ, অবমুক্তি ও ব্যয় (কোটি টাকা):

ক্র
নং
সংস্থার নাম
প্রকল্প
সংখ্যা (অঙ্গ)
বরাদ্দ
অবমুক্ত (বরাদ্দের %)
ব্যয় (বরাদ্দের %)
মোট
জিওবি
পিএ
মোট
জিওবি
পিএ
মোট
জিওবি
পিএ
১০
১১
১২
ডিএই
২০
৪৯১.৯৯
৩৯২.৮২
৯৯.১৭
৪৮৮.৭৬
৩৯২.৮০
৯৫.৯৬
৪৮৩.৩০
৩৮৭.৩৭
৯৫.৯৩
(২)



৯৯%
১০০%
৯৭%
৯৮.২৩%
৯৮.৬১%
৯৬.৭৩%
বিএডিসি
১৭
৬২০.৪৩
৫৯৫.৪২
২৫.০১
৬২০.০৭
৫৯৫.৪২
২৪.৬৫
৬১৮.২৩
৫৯৪.০৫
২৪.১৮
(৪)



১০০%
১০০%
৯৯%
৯৯.৬৫%
৯৯.৭৭%
৯৬.৬৮%
বিএআরআই
৯৬.৪৮
৯৬.১৬
০.৩২
৯৬.৪৭
৯৬.১৬
০.৩১
৯৬.৪২
৯৬.১১
০.৩১
(৫)



১০০%
১০০%
৯৭%
৯৯.৯৪%
৯৯.৯৫%
৯৬.৮৮%
বিএমডিএ
১০
৩১৬.৩১
৩১৬.৩১
০.০০
৩১৬.৩০
৩১৬.৩০
০.০০
৩১৫.৮৮
৩১৫.৮৮
০.০০



১০০%
১০০%
০%
৯৯.৮৬%
৯৯.৮৬%
০%
ডিএএম
৭.২৫
৭.২৫
০.০০
৭.২৫
৭.২৫
০.০০
৭.২৩
৭.২৩
০.০০
(৩)



১০০%
১০০%
০%
৯৯.৭২%
৯৯.৭২%
০%
বিএআরসি
৭.৮৯
০.৪২
৭.৪৭
৭.৮২
০.৪২
৭.৪০
৭.৮১
০.৪২
৭.৩৯



৯৯%
১০০%
৯৯%
৯৯%
১০০%
৯৯%
এসআরডিআই
৭.৩৬
৭.৩৬
০.০০
৭.৩৬
৭.৩৬
০.০০
৬.৮৩
৬.৮৩
০.০০
(১)



১০০%
১০০%
০%
৯৩%
৯৩%
০%
বিজেআরআই
২২.৭৬
২২.৭৬
০.০০
২২.৭৬
২২.৭৬
০.০০
২২.৭৫
২২.৭৫
০.০০



১০০%
১০০%
০%
৯৯.৯৬%
৯৯.৯৬%
০%
বিনা
১২.৫০
১২.৫০
০.০০
১২.৫০
১২.৫০
০.০০
১২.৪০
১২.৪০
০.০০



১০০%
১০০%

৯৯.২০%
৯৯.২০%
০%
১০
বিএসআরআই
১৬.০০
১৬.০০
০.০০
১৬.০০
১৬.০০
০.০০
১৫.৯৫
১৫.৯৫
০.০০



১০০%
১০০%
০%
৯৯.৬৯%
৯৯.৬৯%
০%
১১
বিআরআরআই
৪৭.৫৯
২৯.৩৪
১৮.২৫
৪৬.৫৫
২৮.৩০
১৮.২৫
৪৬.৪৮
২৮.২৩
১৮.২৫
(৪)



৯৮%
৯৬%
১০০%
৯৮%
৯৬%
১০০%
১২
এলজিইডি
(সহযোগী সংস্থা)
২৮.১০
১৬.৫১
১১.৫৯
২৮.০৯
১৬.৫০
১১.৫৯
২৭.৮৬
১৬.২৭
১১.৫৯
(২)



১০০%
১০০%
১০০%
৯৯%
৯৯%
১০০%
১৩
সিডিবি
২৮.৯৬
২৮.৯৬
০.০০
২৮.৯৬
২৮.৯৬
০.০০
২৮.৭৯
২৮.৭৯
০.০০



১০০%
১০০%
০%
৯৯.৪১%
৯৯.৪১%
০%
১৪
বারটান
৩৯.৬০
৩৯.৬০
০.০০
৩৯.৬০
৩৯.৬০
০.০০
৩৯.৫৮
৩৯.৫৮
০.০০
(১)



১০০%
১০০%
০%
৯৯.৯৫%
৯৯.৯৫%
০%
১৫
নাটা
৪.৫০
৪.৫০
০.০০
৪.৫০
৪.৫০
০.০০
৪.৩৭
৪.৩৭
০.০০



১০০%
১০০%
০%
৯৭%
৯৭%
০%
১৬
অন্যান্য *
২৪.১২
৩.২৭
২০.৮৫
২২.৪৬
৩.২৭
১৯.১৯
২১.৪৬
২.৫৩
১৮.৯৩
(১)



৯৩%
১০০%
৯২%
৮৯%
৭৭%
৯১%

সর্বমোটঃ
৬৩
১৭৭১.৮৪
১৫৮৯.১৮
১৮২.৬৬
১৭৬৫.৪৫
১৫৮৮.১০
১৭৭.৩৫
১৭৫৫.৩৪
১৫৭৮.৭৬
১৭৬.৫৮
(২৪)



৯৯.৬৪%
৯৯.৯৩%
৯৭.০৯%
৯৯.০৭%
৯৯.৩৪%
৯৬.৬৭%

* (আইএপিপি-সচিবালয় অংগ, আপসু ও  এনএটিপি-পিসিএমইউ অংগ )
 

পোস্ট-১(কৃষি জমি):-
০১.বাংলাদেশে মাথাপিছু আবাদী জমির পরিমান-০.১৫।
০২.রবি শস্য বলতে বুঝায়-শীতকালীন শস্যকে।
০৩.জুম চাষের বিকল্প পদ্ধতি-সল্ট।
০৪.যে সকল কৃষক নিজেদের জমির পরিমান এক একরের নিচে তাদের কে বলে-ভূমিহীন চাষী।

০৫.বাংলাদেশে মোট আবাদী জমির পরিমান-২০১৫৭০০০ একর।
০৬.মাথাপিছু আবাদী জমি-০.২৮ একর অথবা ০.৮ হেক্টর।
০৭.বাংলাদেশে সর্বশেষ কৃষি আদমশুমারি প্রকাশিত হয়-২০০৮ সালে।
০৮.ফসল উতপাদনের জন্য সারাবছর কে ২ টি ভাগে ভাগ করা যায়- রবি ও খরিপ মৌসুম।
০৯.রবি শস্য-ফুলকপি,বাধাকপি,মূলা,গাজর,লাউ,সীম,টমেটো,শীতকালীন সবজি,বোরো ধান,গম,আলু,এবং সরিষা।
১০.রবি মৌসুম-আশ্বিন থেকে ফাল্গুন (মধ্য সেপ্টেম্বর থেকে মধ্য মার্চ)।
১১ বার মাসি সবজি-লালশাক,বেগুন,ডেঢ়স।
 


পোস্ট -২(খাদ্য শস্য):-
*বাংলাদেশে খাদ্যশস্য উৎপাদিত হয়-শতকরা ৮০ ভাগ জমিতে।
*উৎপাদিত খাদ্যশস্যের মধ্যে-ধান, গম, ডাল, তেলবীজ, ভুট্রা, যব এবং নানা রকম মসলা অন্যতম।
*বাংলার শস্যভান্ডার বলা হয়-বৃহত্তর বরিশাল জেলাকে।
*বাংলার প্রধান খাদ্যশস্য-ধান।
*বাংলাদেশে ধান চাষ করা হয়-শতকরা ৭০ ভাগ জমিতে।
*ধান চাষে উপযোগী - নদির উপত্যকার সমভূমি, ১০-৩০ডিগ্রি সে.সি তাপমাত্রা এবং ১০০-২০০ সে.মি. বৃষ্টিপাত।
*বাংলাদেশে উৎপন্ন ধানকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়-আউশ,আমন ও বোরো।
*আমন ধান উঠে-অগ্রহায়ন থেকে পৌষ।
*উচ্চ ফলনশীল ধান-ইরি ও বিরি।
*ধানের উন্নত জাত হলো- ইরাটম,ব্রিশাইল,সোনার বাংলা১,সুপার রাইস,হাইব্রীড হীরা, ময়না,চান্দিনাম,হরিধান মালাইরি।
*IRRI থেকে সর্বপ্রথম বাংলাদেশে আমদানি করা ধানের বীজ- ইরি-৮ জাতের উফশি ধান।
*উত্তরবঙ্গের মঙ্গা এলাকার জন্য উপযোগী ধান - বি-৩৩।
*বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত লবণাক্ত সহিষ্ণু ধান - বিনা-৮।
*ধান চাষে বিখ্যাত - রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট, কুমিল্লা, রাজশাহী, বরিশাল ও অন্যান্ন।
*বরিশাল ও পটুয়াখালীর যে ধান উৎকৃষ্ট- বালাম ধান। দিনাজপুরের কাটারিভোগ, ময়মনসিংহের বিরই, এবং নোয়াখালী, কুমিল্লার কালিজিরা ও চিনিগুড়া উল্লেখযোগ্য।
*ধান ভিজালেই ভাত পাওয়া যায়- অঘ্নিবোরো ধানের চাল।
*বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি চালকল আছে- নওগাঁ জেলায়।
*ধান ও গম উৎপাদনে বিখ্যাত-রংপুর।
*বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধান খাদ্যশস্য - গম।
*গমের ইংরেজি নাম- Wheat.
*গম যে মৌসুমের ফসল - রবি।
*গম চাষে উপযোগী- সমতল ভূমি,২২ডিগ্রি সে. তাপমাত্রা এবং ৫০-৭৫ সে.মি. গড় বৃষ্টিপাত।
*গমের উন্নত জাত- অগ্রণী-সোনালিকা,বলাকা,দোয়েল,আনন্দ,আকবর,কাঞ্চন,বরকত।
*মানব দেহে আমিষের চাহিদা মেটায়- মসুর ডাল।
*ডাল জাতীয় শস্য-মুগ,মসুর, ছোলা, খেসারি, মাষ্কালাই,মটর অন্যতম।
*বাংলাদেশের প্রধান তেলবীজ - সরিষা।
*সরিষার ইংরেজি নাম:- Mustard-seed.
*সরিষা উৎপাদনে বিখ্যাত-ময়মনসিংহ।
*সরিষার উন্নত জাত- সফল, অগ্রণী।
*তিল ও তিসি উৎপাদনে বিখ্যাত- ফরিদপুর।
*বাদাম চাষে বিখ্যাত-কুমিল্লা ও কুষ্টিয়া।
*ভূট্রা চাষে বিখ্যাত- পার্বত্য চট্রগ্রাম, রংপুর।
*ভূট্রার উন্নত জাত- উত্তরণ(ব্রাক উদ্ভাবিত), বর্ণালী, শুভ্র।
*আনারস চাষ হয়- পার্বত্য চট্রগ্রাম ও সিলেট।
*আলু চাষে বিখ্যাত-বৃহত্তর ঢাকা অঞ্চল(মুন্সিগঞ্জ)।
*আলুর উন্নত জাত-ডায়মন্ড,কার্ডিনেল,কুফরী, ও সিন্দুরী
*তুলার উন্নত জাত- রুপালী ও ডেলফোজ।
*মরিচের উন্নত জাত- যমুনা।
*টমেটোর উন্নত জাত- মিন্টু, বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর, ও শ্রাবণী।
*আমের উন্নত জাত- মহানন্দা, মোহনভোগ, লেংড়া, ও গোপালভোগ।
*কলার উন্নত জাত-অগ্নিশ্বর, কানাইবাশী, মোহনবাশী, বীট জবা, অমৃতসগর, ও সিংগাপুরী।

পোস্ট -৩(অর্থকরী ফসল)
০১:যে ফসল সরাসরি বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে চাষ করা হয় তা-অর্থকরী ফসল।
০১:অর্থকরী ফসল হলোঃ- পাট,চা,আখ,তামাক,রেশম,রাবার এবং তুলা অন্যতম।
০৩:বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল-পাট(Jute).
০৪:পাট উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষে আছে-ভারত।
০৫:পাট উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান-২য়।
০৬:বাংলাদেশে পাট উৎপাদন হয়-পৃথিবীর প্রায় এক-তৃতীয়াংশ।
০৭:পাট ৩ প্রকার-সাদা,তোষা এবং মেসতা।
০৮:উন্নত মানের আশ উৎপাদনে ব্যবহার হয়-তোষা পাট।
০৯:পাটের জিন বিন্যাস আবিষ্কার করেন-বাংলাদেশী বিজ্ঞানী ড.মাকসুদুল আলম(২০১০ সালে)।
১০:বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ পাটবলয়-ময়মনসিংহ-ঢাকা-কুমিল্লা অঞ্চল।
১১:পাট উৎপাদনে বিখ্যাত-ফরিদপুর।
১২:জুটন কি?-পাট ও তুলার সংমিশ্রণে তৈরী কাপর।
১৩:জুটন তৈরী-৭০ ভাগ পাট ও ৩০ ভাগ তুলা থেকে।
১৪:জুটন আবিষ্কারক - ড.মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ।
১৫:একটি কাচা পাটের গাইটের ওজন-সাড়ে চার মণ।
১৬:বাংলাদেশের দ্বিতীয় অর্থকরী ফসল-চা(Tee).
১৭:চা'এর আদিবাস-চীন।
১৮:বাংলাদেশে প্রথম চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়-১৮৪০ সালে সিলেটের মালনিছড়ায়।
১৯:চা চাষের জন্য উপযোগী -পানি নিষ্কাশন যোগ্য, জৈব মিশ্রিত, উর্বর দো-আশ মাটির উঁচু ও ঢালু জমি, ১০-১৭ ডিগ্রি সে.সি. তাপমাত্রা, ২৫০ সে.মি. বৃষ্টিপাত।
২০:বাংলাদেশে বর্তমানে চা বাগান-১৬৩ টা।
২১:সবচেয়ে বেশি উৎপাদন কৃত চা হলো-মৌলভীবাজার জেলার।
২২:মৌলভীবাজারে চা বাগান অাছে-৯০ টি।
২৩:বানিজ্যিক ভাবে চা চাষ শুরু হয়-১৮৫৭ সাল থেকে।
২৪:বাংলাদেশে প্রথম অর্গানিক চা উৎপাদন শুরু হয়েছে-পঞ্চগড়।
২৫:চা উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান-১০ম।
২৬:চা রপ্তানিতে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান-১৫ তম।
২৭:তামাক(Tobacco) এর জন্য বিখ্যাত-রংপুর,দিনাজপুর,রাজশাহী ও অন্যান্য।
২৮:আখ(Sugarcane) এর জন্য বিখ্যাত-রংপুর,দিনাজপুর,রাজশাহী ও অন্যান্য।
২৯:আখ উৎপাদন হয়-চিনি তৈরীতে কাচামাল হিসেবে।
৩০:তুলা(Cotton)এর জন্য বিখ্যাত - যশোর, কুষ্টিয়া, দিনাজপুর, রংপুর।
৩১:তুলার উন্নত জাত-রুপালী ও ডেলফোজ।
৩২:রেশম উৎপাদিত হয়-রাজশাহী ও বগুড়া অঞ্চলে।
৩৩:রাবারের জন্য বিখ্যাত - পার্বত্য চট্রগ্রাম ও সিলেট।
৩৪:প্রথম রাবার বাগান করা হয়-কক্সবাজারের রামুতে(১৯৬১ সালে)।

পোস্ট -৪(মাটি ও সার):-
০১_স্থলভাগের মূল-মাটি।
০২_প্রাকৃতিক ও রাসায়নিক গঠনের উপর ভিত্তি করে মাটি ৫ প্রকার- পাহাড়ি মাটি, ল্যাটোসেলিক মাটি, পলল মাটি, জলভূমি মাটি এবং কোষ মাটি।
০৩_বুনটের উপর ভিত্তি করে মাটি ৩ প্রকার- বেলে মাটি, দো-আশ মাটি এবং এটেল মাটি।
০৪_যে মাটিতে ৭০ ভাগ ও তার বেশি বালিকণা থাকে, তা- বেলে মাটি।
০৫_মরুভূমি, চরাঞ্চলে ও সমুদ্র উপকূলে দেখা যায়- বেলে মাটি।
০৬_যে মাটিতে পানি ধারণ ক্ষমতা নেই তা- বেলে মাটি।
০৭_যে মাটিতে জৈব পদার্থ নেই ও চাষের অনুপযোগী - বেলে মাটি।
০৮_যে মাটিতে বালি, পলি ও কর্দমকণা প্রায় সমান অনুপাতে বিদ্যমান, তা- দো-আশ মাটি।
০৯_কৃষিক্ষেত্রে আদর্শ মাটি বলা হয়- দো-আশ মাটিকে।
১০_যে মাটিতে বালি, পলি ও কর্দমকণা ৩৩:৩৩:৩৪ অনুপাতে থাকে, তা- দো-আশ মাটি।
১১_পানি ধারন ও শোষণ ক্ষমতা উভয়ই বেশি- দো-আশ মাটিতে।
১২_বাংলাদেশের অধিকাংশ মাটি- দো-আশ মাটি।
১৩_যে মাটিতে ৪০-৪৫% কর্দমকণা থাকে তা- এটেল মাটি।
১৪_সর্বোচ্চ পানি ধারন ক্ষমতা- এটেল মাটির।
১৫_ভাড়ি মাটি বলা হয়- এটেল মাটিকেকে।
১৬_অম্ল(acid) যুক্ত মাটি- অনুর্বর।
১৭_মাটির অম্ল(acid) হ্রাস করতে বা কমাতে ব্যবহার হয়- চুন।
১৮_মৃত্তিকা গবেষণা কেন্দ্র বা ইনস্টিটিউট অবস্থিত - ঢাকায়।
১৯_মাটির সক্ষমতা ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজন - সার।
২০_ মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে বায়ুর-নাইট্রোজেন(N2)।
২১_মাটিতে নাইট্রোজেন মিশে- পানির মাধ্যমে।
২২_উদ্ভিদ সাধারণত মাটি থেকে নাইট্রোজেন গ্রহণ করে- নাইট্রাইট (NO3) হিসেবে।
২৩_বজ্রবৃষ্টির কারনে উদ্ভিদ পায়- প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদান।
২৪_বিদ্যুৎক্ষরনের সময় অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়- নাইট্রোজেন (N2)।
২৫_বিদ্যুৎক্ষরনের সময় অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন মিলে- নাইট্রোজেন অক্সাইড সমূহ তৈরী হয়।
২৬_বিদ্যুৎক্ষরনের সময়কালীন বিক্রিয়া হলো- N2+O2=2NO; 2NO+O2=2NO2
২৭_নাইট্রিক এসিড বিক্রিয়াটি হলো- 4NO2+2H2O+O2=4HNO3.
২৮_নাইট্রোজেন(N2) সম্বলিত সার হলো- ইউরিয়া, ক্যালসিয়াম নাইট্রেট, সোডিয়াম নাইট্রের, ক্যালসিয়াম অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট, অ্যামোনিয়াম সালফেট।
২৯_ইউরিয়া ও অ্যামোনিয়াম সালফেট সার তৈরী হয়- নাইট্রোজেন গ্যাস থেকে।
৩০_ইউরিয়া সার তৈরীতে প্রধান কাঁচামাল হলো- প্রাকৃতিক (মিথেন) গ্যাস।
৩১_ইউরিয়া সার তৈরী হয়- বেসিমার পদ্ধতিতে।
৩২_উদ্ভিদ কে সবুজ ও সতেজ রাখে - ইউরিয়া সার।
৩৩_ ইউরিয়া সারে নাইট্রোজেন থাকে- শতকরা ৪৬%.
৩৪_ফসফেট সার হলো- টি.এস.পি, ক্যালসিয়াম সুপার ফসফেট, ক্যালসিয়াম সুপার ফসফেট নাইট্রেট, ফসফরিক স্ল্যাগ এবং অ্যামোনিয়াম ফসফেট।
৩৫_[Ca(H2PO4)2]= টি.এস.পি।
৩৬_টি.এস.পি হলো- ট্রিপল সুপার ফসফেট।
৩৭_টি.এস.পি কে ট্রিপল সুপার ফসফেট বলার কারন- সাধারণ সুপার ফসফেট সারের তুলনায় টি.এস.পি'র ভিতর তিনগুণ মনো ক্যালসিয়াম ফসফেট আছে।
৩৮_ডাই অ্যামোনিয়া ফসফেট'এ নাইট্রোজেন(N2) ও ফসফরাস(P) থাকে- ১৬-১৮% নাইট্রোজেন ও ২০-৩০% ফসফরাস।
৩৯_উদ্ভিদ বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন- নাইট্রোজেন(N2) সার।
৪০_ফলমূল বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন - ফসফরাস(P) সার।
৪১_মাটিতে পটাশিয়াম বৃদ্ধি করে- মিউরেট অব পটাশ।
৪২_ফলমূল বৃদ্ধি ও ধারনের জন্য ভুমিকা রাখে- ফসফরাস ও পটাশ সার।
৪৩_স্বর্ণা কি? - একরকম জৈব সার।
৪৪_স্বর্ণা সারের বৈজ্ঞানিক নাম -ফাইট হরমোন ইনডিউসার।
৪৫_ স্বর্ণা সারের আবিষ্কারক - ড. সৈয়দ আব্দুল খালেক(১৯৮৭ সালে)।

পোস্ট -৫


পোস্ট -৬(প্রানিজ সম্পদ) :-
০১_গবাদি পশুর জাত উন্নয়নে পাক ভারত উপমহাদেশে প্রথম অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন- বৃটিশ নাগরিক লর্ড লিন লিথগো।
০২_"বাংলাদেশ গবাদি পশু গবেষণা ইনস্টিটিউট" এবং "কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামার" অবস্থিত - ঢাকার সাভারে।
০৩_দুগ্ধজাত সমগ্রীর জন্য বিখ্যাত লাহিড়ীমোহন হাট অবস্থিত - পাবনায়।
০৪_গো-চারনের জন্য বাথান আছে-পাবনা ও সিরাজগঞ্জ।
০৫_বাংলাদেশের গবাদি পশুর ভ্রুন প্রথম বদল করা হয়- ৫ মে, ১৯৯৫ সালে।
০৬_উন্নত জাতের গাভী - হারিয়ানা, সিন্ধী, ফ্রিসিয়ান, হিসার, জারসি, শাহীওয়াল, আয়ের শায়ের ইত্যাদি।
০৭_সবচেয়ে বেশি দুগ্ধপ্রদানকারী গাভীর জাত-ফ্রিসিয়ান।
০৮_মহিষ প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত - বাগেরহাট।
০৯_ছাগল প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত - সিলেটের ঢিলাগড়ে।
১০_যমুনাপাড়ী ছাগলের অপর নাম- রামছাগল।
১১_ছাগল উন্নয়ন ও পাঠা কেন্দ্র- রাজবাড়ি হাট।
১২_ব্লাক বেঙ্গল ও বনরুই- এক ধরনের ছাগল।
১৩_বন্য প্রানী প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত - করমজল, সুন্দরবন।
১৪_হরিণ প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত - ডুলাহাজরা, কক্সবাজার ।
১৫_কুমির প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত - ময়মনসিংহের ভালুকায়।
১৬_ ঘড়িয়াল দেখা যায়- পদ্মা নদীতে।
১৭_গবাদি পশুর রোগ - গো-বসন্ত, যক্ষ্মা, ব্লাককোয়াটার, অ্যানথ্রাক্স।
১৮_যে সকল মুরগী কেবল মাংস উৎপাদনে ব্যবহার করা হয়, তা- ব্রয়লার।
১৯_উন্নত জাতের ব্রয়লার - হাইব্রো, স্টার ব্রো, ইন্ডিয়ান রোভাব, মিনিব্রো।
২০_ডিমপাড়া মুরগীকে বলে- লেয়ার।
২১_সবচেয়ে বেশি ডিম দেয়-লেগহর্ন।
২২_মুরগীর রোগ- রাণীক্ষেত, বসন্ত, রক্ত আমাশয়, কলেরা, বার্ড ফ্লু ইত্যাদি।
২৩_হাসের রোগ- ডাক প্লেগ, রোপা।
২৪_মাংস প ডিম পাওয়া যায় - রোড আইল্যান্ড অস্টারলক জাতের মুরগী থেকে।
২৫_পার্বত্য চট্রগ্রামের বনে হরিণ পাওয়া যায়- Barking deer.

পোস্ট -৭(খনিজ পদার্থ) :-
০১)বাংলাদেশে প্রধান খনিজ পদার্থ - প্রাকৃতিক গ্যাস।
০২)বাংলাদেশে এ পর্যন্ত আবি: গ্যাসক্ষেত্র - ২৭ টি -  সর্বশেষ পাবনার মোবারকপুরে ।


 ০৩)প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান- মিথেন।
০৪)সর্বপ্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবি: হয়-১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে।
০৫)সর্ববৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র -তিতাস গ্যাসক্ষেত্র।
০৬)দৈনিক সবচেয়ে বেশী গ্যাস উত্তোলন হয়- বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র হতে।
০৭)সমুদ্র উপকূলীয় গ্যাসক্ষেত্র - সাঙ্গু ও কুতুবদিয়া।
০৮)কুতুবদিয়া গ্যাসক্ষেত্র -চট্রগ্রামে।
০৯)হরিপুর, কৈলাসটিলা, বিয়ানীবাজার, ফেঞ্চুগঞ্জ, জালালাবাদ, শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্র - সিলেটে অবস্থিত।
১০)কামতা গ্যাসক্ষেত্র-গাজীপুর।
১১)সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্র - খাগড়াছড়ি।
১২)বেগমগঞ্জ ও সুন্দল পুর গ্যাসক্ষেত্র- নোয়াখালী।
১৩)সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র-বঙ্গোপসাগর।
১৪)রশিদপুর ও মাগুরছড়া গ্যাসক্ষেত্র- মৌলভীবাজার।
১৫)তিতাস ও সালদা নদী গ্যাসক্ষেত্র-বি-বাড়িয়া।
১৬)বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশী গ্যাস ব্যবহৃত হয়- বিদ্যুৎ উৎপাদনে।
১৭)প্রথম অগ্নিকুণ্ড হয়-মাগুরছড়া গ্যাসক্ষেত্রে(১৯৯৭)।
১৮)হরিপুর বিখ্যাত-পেট্রোলিয়ামের জন্য (আবিঃ-১৯৮৬)।
১৯)ইউনোকল তেল কম্পানি-যুক্তরাষ্ট্রের।
২০)হরিপুরে দৈনিক তেল উত্তলনের মাত্রা-৩০০ ব্যারেল।
২১)সর্বপ্রথম তেল পাওয়া যায়-১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে এবং ১৯৯৪ সালে তেল উত্তোলন বন্ধ হয়ে যায়।
২২)রানী পুকার কয়লাক্ষেত্র-রংপুর।
২৩)বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি আবি: হয়- ১৯৮৫ সালে।
২৪)উন্নতমানের কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে- জামালগঞ্জে।
২৫)পীট কয়লা পাওয়া গেছে-ফরিদপুর, খুলনা, সিলেট, বি-বাড়িয়া, এবং ময়মনসিংহ।
২৬)চুনা পাথর(Lime stone) -সুনামগঞ্জের টাকের হাট, লালঘাট, জাফলং, ভাঙার হাট, জকিগঞ্জ, জয়পুরহাট, জামালগঞ্জ, সেন্টমার্টিন এবং সীতা কুন্ড।
২৭)সিলিকা বালি(Solica sand)-হবিগঞ্জের নোয়াপাড়া, ছাতিয়ান, শাহবাজার, সুনামগঞ্জ, চট্রগ্রামের দোহাজারী, মৌলভীবাজারের কুলাউড়া, শেরপুরের বালিজুরি, জামালপুরের গারো পাহাড়, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম এবং দিনাজপুরের পার্বতীপুর।
২৮) চীনা মাটি(China Clay) বা শ্বেতমৃত্তিকা(White Clay) র জন্য বিখ্যাত-নেত্রকোনার বিজয় পুর।
২৯)কঠিন শীলা(Hard Rock)- রংপুর জেলার বন্দরগঞ্জ ও মিঠাপুকুর।
৩০)'কালো সোনা' বলা হয়- তেজস্ক্রিয় বালুকে।
৩১)তেজস্ক্রিয় বালু পাওয়া যায়-কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতে
৩২)নুড়িপাথর(Pebbles)- সিলেট, পঞ্চগড় ও লালমনিরহাট।
৩৩)গন্ধক (Sulphur)- চট্রগ্রামের কুতুবদিয়া।
৩৪)তামা(Copper)-রংপুরের রানী পুকুর, পীড়গঞ্জ, দিনাজপুরের মধ্যপাড়ায়।
৩৫)ইউরেনিয়াম - মৌলভীবাজারের কুলাউড়া।
পোস্ট -৮(বনজ সম্পদ) :-
০১)বাংলাদেশে মোট বন ভূমির প্রয়োজন -১.৬০ মিলিয়ন হেক্টর।
০২)FAO-অনুযায়ী বাংলাদেশে বনভূমি মোট ভূমির-১১%.
০৩)ভারসাম্য রক্ষার জন্য কোন দেশের বনভূমির প্রয়োজন মোট ভূমির-২৫%.
০৪)বাংলাদেশের বনভূমি ৩ প্রকার-ক্রান্তিয় চিরহরিৎ ও পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি, ক্রান্তীয় পতনশীল বৃক্ষের বনভূমি ও স্রোতজ বনভূমি।
০৫)যে উদ্ভিদের পাতা একেবারে ভেংগে পড়ে না ও পাতাগুলো চির-সবুজ তা- চিরহরিৎ উদ্ভিদ।
০৬)চিরহরিৎ বনভূমি সৃষ্টির কারন-অতিবৃষ্টি।
০৭)চিরহরিৎ বনভূমির অবস্থান - পার্বত্য চট্রগ্রাম, চট্রগ্রাম ও সিলেট।
০৮)চিরহরিৎ বনভূমির প্রধান বৃক্ষ - ময়না, তেলসুর, চাপালিস, গর্জন, গামার, জারুল, বাশ, বেত এবং হোগলা।
০৯) ক্রান্তীয় পতনশীল বনভূমির অবস্থান - ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, মধুপুর বনভূমি, গাজীপুর ভাওয়াল, রংপুর এবং দিনাজপুর বরেন্দ্র বনভূমি।
১০)যে গাছের পাতা বছরে একবার ঝড়ে যায় তা- পাতাঝরা উদ্ভিদ।
১১)ক্রান্তীয় পতনশীল বনের বৃক্ষ-গজারি বা শাল, ছাতিম, কুর্চি, কড়ই, কাঁঠাল, কুম্বি ও হিজল।
১২)স্রোতজের অপর নাম-ম্যানগ্রোভ।
১৩)উপকূলীয় বনকে বলে-ম্যানগ্রোভ।
১৪)ম্যানগ্রোভ বনের অবস্থান- সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট।
১৫)ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান বৃক্ষ-সুন্দরো, গরান, গেওয়া, পশুর, ধুন্দল, কেওড়া ও বায়েন।
১৬)ম্যানগ্রোভ বনের প্রানী-রয়েল বেঙ্গল টাইগার, হরিণ, বানর ও সাপ।
১৮)নেপিয়ার- এক ধরনের ঘাস।
১৯)সূর্যকন্যা বলা হয়- তুলা গাছ কে।
২০)পচাব্দী গাজী বিখ্যাত - বাঘ শিকারের জন্য।
২১)পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন-সুন্দরবন।।
২২)পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর - ইউক্লিপটাস গাছ।
২৩)বাংলাদেশের বনাঞ্চল পরিমাণ মোট ভূমির-১৭%. 

পোস্ট -৯(মৎস ও পানি সম্পদ) :-
০১)বাংলাদেশের প্রধান জলজ সম্পদ-মাছ ও পানি।
০২)বাংলাদেশের মৎস আইনে রুই মাছের পোনা ধরা নিষেধ - ২৩সে.মি. কম দৈর্ঘের
০৩)মুখে ডিম রেখে বাচ্চা ফুটায়-নাইলোটিকা বা তেলাপিয়া মাছ।
০৪)পিরানহা হলো-এক ধরনের রাক্ষুসে মাছ।
০৫)বাংলাদেশের white gold - চিংড়ি মাছ।
০৬)গলদাচিংড়ি চাষ হয়-স্বাদু পানিতে।
০৭)বাগদাচিংড়ি চাষ হয়-লোনা পানিতে।
০৮)বাংলাদেশের প্রথম চিংড়ি গবেষনা কেন্দ্র-বাগেরহাট।
০৯)বাংলাদেশে পানি সম্পদের চাহিদা বেশি-কৃষি খাতে।
১০)অত্যধিক দূষিত নদীর পানি- বুড়িগঙ্গার।
১১)পানি দূষনের প্রধান কারন-মানুষ।
১২)বাংলাদেশের মানুষের জীবন নির্ভর করে-নলকূপের পানির উপর।
১৩)বিপদজনক ভাবে আর্সেনিক পাওয়া যায়-অগভীর নলকূপের পানিতে।
১৪)বাংলাদেশে সর্বপ্রথম আর্সেনিক ধরা পরে- চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
১৫)WHO-র মতে পানিতে আর্সেনিকের গ্রহণযোগ্যতা মাত্রা-০.০১ মি.গ্রা./লিটার।
১৬)বাংলাদেশের পানি পান করা অনুপযোগী - ০.০৫ মি.গ্রা/লি. এর বেশি আর্সেনিক থাকলে।
১৭)আর্সেনিক দূরীকরণে সনো ফিল্টারের উদ্ভাবক- অধ্যাপক আবুল হুসসাম।
১৮)বাংলাদেশের বৃহত্তম পানি শোধনাগার-সায়েদাবাদ।
১৯)১৮৭৪ সালে ঢাকা শহরে প্রথম পানি সরবরাহ কার্যক্রম স্থাপিত হয়-চাঁদনীঘাটে।
২০)বাংলাদেশের প্রথম সেচ প্রকল্প-গঙ্গা-কপোতাক্ষ(১৯৫৪).
২১)বাকল্যান্ড বাধ অবস্থিত-বুড়িগঙ্গা।
২২)তিস্তা বাদ অবস্থিত - লালমনিরহাট।
২৩)বৃহত্তম সেচ প্রকল্প-তিস্তা।
২৪)ফারাক্কা বাদ হয়েছে- গঙ্গা নদীর উপর।
বি:দ্র: এগুলোর সাথে বাংলাভাষা ও জাতির ইতিকথা, মুক্তিযুদ্ধ ও ইতিহাস,সংসদ ও মুদ্রা-নোট নিয়ে ভাল করে ঘাটাঘাটি করলেই চলবে বলে আমি আশাবাদি।কারন ১০ টি পোস্টের বেশি দিব না। আগামিকাল আন্তর্জাতিক একটি পোস্ট দিয়ে সা:জ্ঞানের শেষ পর্ব শেষ করবো। ইন-শা-আল্লাহ। এর পরে আল্লাহ চাহে তো বাংলার উপরে পোস্ট করার চেষ্টা চলবে। আমার জন্য সবার দোয়া কামনা- আগামি ১৩ তারিখ হতে আমার সি.এস.ই এর ২য় সেমিস্টার ফাইনাল এক্সাম।
তারপরেও আমি সর্বোচ্চ চেস্টা করবো তোমাদের হেল্প করার।

পোস্ট -১০(আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী) :-
০১)জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়-২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ সালে।
০২)জাতিসংঘ দিবস-২৪ অক্টোবর।
০৩)জাতিসংঘের নাম করণ করেন -৩২ তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট (১ জানুয়ারি ১৯৪২ সালে)।
০৪)জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব - ট্রিগভেলী(নরওয়ে)।
০৫)এশিয়ার একমাত্র জাতিসংঘের মহাসচিব ছিলেন-উথান্ট(মায়ানমার)।
০৬)'কফিআনান' ও 'বান কি মুন 'জাতিসংঘের কত তম মহাসচিব - ৭ম এবং ৮ম।
০৭)জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব - অ্যান্টোনিও গুতেরেস(পর্তুগিজ)।
০৮)অ্যান্টোনিও গুতেরেস জাতিসংঘের কত তম মহাসচিব -৯ম তম।
০৯)জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠাকালীন দেশ-৫১ টি।
১০)জাতিসংঘের সদর দপ্তর - নিউইয়র্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
১১)জাতিসংঘের ইউরোপীয় সদর দপ্তর -জেনেভায়।
১৩)জাতিসংঘের মূল সনদের রচয়িতা - Archibald Machliesh.
১৪)জাতিসংঘের বর্তমান সদস্য সংখ্যা-১৯৩।
১৫)জাতিসংঘের মূল সংস্থার মধ্যে ২য় সংস্থার নাম- নিরাপত্তাপরিষদ।
১৬)জাতিসংঘের আয়ের উৎস- সদস্য দেশ সমূহের চাঁদা।
১৭)জাতিসংঘের বাজেট ঘোষিত হয়-সাধারন পরিষদ থেকে।
১৮)জাতিসংঘের বাজেট ঘোষিত হয়-২ বছরে।
২০)বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য পদ লাভ করে-১৯৭৪ সালের ১৭ ই সেপ্টেম্বর(১৩৬তম)।
২১)WHO-World Health Organization.
২২)WHO-এর প্রতিষ্ঠাকাল - ৭ এপ্রিল, ১৯৪৮ সালে।
২৩)WHO-এর সদর দপ্তর - জেনেভা(সুইজারল্যান্ড)।
২৪)বিশ্ব সাস্থ্য দিবস- ৭ এপ্রিল।
২৫)UNESCO-United Nations Educational Scientific and Cultural Organization.
২৬) UNESCO- এর প্রতিষ্ঠাকাল - ৪ নভেম্বর, ১৯৪৬ সালে।
২৭)UNESCO-এর সদর দপ্তর - ফ্রান্সের প্যারিসে।
২৮)SAARC-South Asian Association for Regional Co-opration.
২৯)SAARC-গঠিত হয়-৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫ সালে(প্রধান উদ্যোক্তা সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান)।
৩০)SAARC-এর সচিবালয় - নেপালের কাঠমুন্ডুতে।
৩১)SAARC-এর বর্তমান মহাসচিব - আহমেদ সেলিম(মালদ্বীপ)।
৩২)SAARC-এর সদস্য-৮টি(বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ ও আফগানিস্তান)।
বি:দ্র:- এগুলোর পাশা পাশি - ILO, World Bank, OPEC, UNICEF, Commonwealth, OIC সংস্থা গুলো সম্পর্কিত কিছু সা:জ্ঞান চোখ বুলালে ভাল হয়। এবং বিভিন্ন দেশের মুদ্রা, প্রেসিডেন্ট, পূর্ব নাম, রাজধানী, খেলাধুলা, এবং মহাকাশ সম্পর্কে জ্ঞান রাখা একান্তই জরুরি। 

Courtesy:           Abdul Malek Miazi

এক নজরে বাংলাদেশ কৃষি পরিসংখ্যান
মোট পরিবার
:
,৮৬,৯৫,৭৬৩
মোট কৃষি পরিবার
:
,৫১,৮৩,১৮৩
মোট আবাদযোগ্য জমি
:
৮৫,৬০,৯৬৪.৭৫ হেক্টর
মোট সেচকৃত জমি
:
৭৪,০৬,৮২২.৮৭ হেক্টর
আবাদযোগ্য পতিত
:
,১০,০২৭.৯২ হেক্টর 
ফসলের নিবিড়তা 
:
১৯২%
এক ফসলি জমি 
:
২৩,৫৪,৮২১.৭৪ হেক্টর 
দুই ফসলি জমি 
:
৩৮,৪৭,২৭৪.৪৯ হেক্টর
তিন ফসলি জমি 
:
১৭,১৫,৪৩০.৩৮ হেক্টর
নিট ফসলি জমি
:
৭৯,৩০,০৭১.৬৩ হেক্টর 
মোট ফসলি জমি 
:
,৫২,৪৫৮৪১.৯৩ হেক্টর 
জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান
:
১৪.৭৫%
মোট খাদ্য শস্যের উৎপাদন
:
:
চাল-৩৪৭.১০১ লক্ষ মেট্রিক টন
গম-১৩.৪৮ লক্ষ মেট্রিক টন
ভুট্টা-২৭.৫৯ লক্ষ মেট্রিক টন 

উৎস: এআইএস-২০১৭, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্প্রসারণ-২ শাখা (ডিসেম্বর/২০১৬)

Project Title
:
One House One Farm
(Ektee Bari Ektee Khamar)
Sponsoring Ministry/Division
:
Rural Development and Cooperative Division, Ministry of Local Government, Rural Development & Cooperatives
Executing Agency
:
Rural Development and Cooperative Division, Ministry of Local Government, Rural Development and Cooperatives with District Administration in particular Deputy Commissioner and his officials. Bangladesh Rural Development Board (BRDB) as the main support agency along with other departments like Co-operatives, Bangladesh Academy for Rural Development (BARD), Comilla, PDBF, SFDF and Rural Development Academy (RDA), Bogra.
Project Implementation Period
:
Original: July 2009-June 2014
Revised: July 2009-June 2016
Cost of the project (Taka in Crore)
:
Original:1197.00
Revised: 3163.00
Location of the project (Revised DPP)
:
Division
District
Upazila
Union
Village
7
64
485
4503
40527

কৃষি কল সেন্টার

কল সেন্টার এমন একটি মাধ্যম যার দ্বারা যেকোন ধরণের সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এবং এর ভোক্তাদের মধ্যে মধ্যস্থতা সাধিত হয়। এ দেশের কৃষকদের এবং কৃষি সম্পর্কিত সকলের মধ্যে কৃষিভিত্তিক সর্বাধুনিক প্রযুক্তি, সেবা এবং তথ্য ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্যে ২০১২ সনের জুন মাসে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে কৃষি তথ্য সার্ভিস এর পরিচালনায় দেশের প্রথম সরকারি কল সেন্টার হিসেবে  ‘কৃষি কল সেন্টার’ এর পরীক্ষামূলক যাত্রা সূচিত হয়। কৃষি কল সেন্টারটি খামারবাড়ি, ঢাকাতে কৃষি তথ্য সার্ভিসের সদর দপ্তরে স্থাপিত।

জুন ২০১৪ থেকে ৫ ডিজিটের একটি শর্ট কোডের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সেন্টারটি কার্যক্রম নতুনভাবে শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক এনজিও প্র্যাকটিক্যাল অ্যাকশন, বাংলাদেশ এর সহায়তায় সেন্টারটির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। কৃষি কল সেন্টারের শর্ট কোড নম্বর ১৬১২৩ -এ যে কোন অপারেটরের মোবাইল ফোন থেকে প্রতি মিনিটে ২৫ পয়সা হারে (ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক ব্যতীত) কল করে কৃষকরা কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিষয়ে যে কোন সমস্যার তাৎক্ষণিক বিশেষজ্ঞ পরামর্শ পাচ্ছেন । শুক্রবার  ও অন্যান্য সরকারি ছুটির ‍দিন ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে ১৬১২৩ নাম্বারটি থেকে বর্তমানে কৃষি কল সেন্টারের এ সেবাটি দেয়া হচ্ছে; যা ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হবে।  
Call Center

পোস্টটি শেয়ার করুন ...

"Job Circular " Android App

সবার আগে প্রতিদিনের বিভিন্ন পত্রিকা এবং অনলাইনে প্রকাশিত সরকারি-বেসরকারি সব ধরনের চাকরির বিজ্ঞপ্তি, পরীক্ষার নোটিশ ও নিয়োগ প্রস্তুতি নিয়ে এই অ্যাপ।
প্রধান বৈশিষ্ট্য
🔔 "Notification" এর মাধ্যমে আপনি অ্যাপ Open না করেই আপনার মোবাইলের Notification বার এ জানতে পারবেন গুরুত্বপূর্ণ চাকরির খবর এবং পরীক্ষার নোটিশ। বিস্তারিত জানুন
Get it on Google Play

FB Comments
Comments
Disqus
Comments :

Comments